29th June, 2026

কেমন আছে হার্ট? বাড়িতেই করুন ৪০ সেকেন্ডের পরীক্ষা!

images/whatsapp image 2026-06-24 at 12.57.03 pm.jpeg

আজকের দিনে দাঁড়িয়ে হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু না হলে বহুক্ষেত্রেই মৃত্যু অবধারিত। তাই আপনার হার্ট আদৌ ঠিকঠাক কাজ করছে কীনা সেটা জানতে চিকিৎসকরা প্রায় সবসময়ই ইসিজি, ইকোকার্ডিয়োগ্রাম-সহ আরও একগুচ্ছ পরীক্ষা করাতে বলেন। কিন্তু, আপনি যদি নিজেই জানতে চান আপনার হার্ট কেমন আছে, সময় লাগবে মাত্র ৪০ সেকেন্ড। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা শিখিয়ে দিয়েছেন ৪০ থেকে ৬০ সেকেন্ডের কিছু পরীক্ষার পদ্ধতি। বাড়িতে বসে খুব সহজেই সেই পরীক্ষাগুলি করে দেখে নিতে পারেন।

'স্টেয়ার ক্লাইম্ব টেস্ট' : আপনাকে শুধু চার ধাপ সিঁড়ি মানে ৬০ টি সিঁড়ি ভাঙতে হবে। যদি ৪০ সেকেন্ড বা তার কম সময়ে করে ফেলতে পারেন, তা হলে বুঝতে হবে আপনার হার্টে কোনও গোলমাল নেই। ৪০-৬০ সেকেন্ডের এই টেস্টিকে ইতিমধ্যেই স্বীকৃতি দিয়েছেন ইউরোপীয় সোসাইটি অফ কার্ডিয়োলজির গবেষকেরাও। ৬০টি সিঁড়ি ভাঙার পরে অল্প হাঁপিয়ে গেলে ব্যাপারটা স্বাভাবিক বলেই ধরে নেবেন। ৬০টি সিঁড়ি ভাঙতে যদি ১ মিনিটের বেশি সময় লাগে, সেক্ষেত্রে কিন্তু সমস্যা আছে। পাশাপাশি, বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ভারী পাথর চেপে থাকার মতো অনুভূতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

‘সিট টু স্ট্যান্ড টেস্ট’ : চেয়ারের সাহায্য নিয়ে করতে হবে এই টেস্টটি। এই পরীক্ষাটির মাধ্যমে বোঝা যেতে পারে হৃদ‌্‌গতির হার কেমন, হৃৎস্পন্দন অনিয়মিত হয়ে গিয়েছে কীনা। কোনও কিছুর সাহায্য ছাড়াই এমনকি চেয়ারের হাতল না ধরে হাত দু’টি বুকের উপর আড়াআড়ি ভাবে রেখে, চেয়ারে একবার বসতে হবে ও উঠতে হবে। ৪০ সেকেন্ড ধরে কাজটি করে যেতে হবে। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে অন্তত ১৫ বারের বেশি এটি করা উচিত। যদি কেউ এটি করতে গিয়ে দ্রুত হাঁপিয়ে যান বা বুক ধড়ফড় করে, তবে তা হার্টের দুর্বলতার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। ওঠা-বসা করতে গিয়ে যদি দেখেন প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, দম নিতে পারছেন না, তা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

বাড়িতে বসে কিছু সহজ টেস্ট করে হার্টের ঝুঁকি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যেতে পারে। তবে এসব টেস্ট কখনোই ডাক্তারি পরীক্ষার বিকল্প নয়।যদি বুকে ব্যথা, শ্বাস নিতে কষ্ট, অস্বাভাবিক ঘাম বা হঠাৎ দুর্বল লাগার মতো লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সচেতন থাকুন, শরীরের সংকেত বুঝুন, আর প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসা নিন—এটাই হার্টকে সুস্থ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায়।

Share this:

Comments

  • 29th June, 2026

Leave a Reply

Featured Video

Weather Forecast

Calendar